পিরোজপুরের কাউখালীতে জেসমিন বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। হত্যার পর ঘরের আলমারি ও বাক্স ভেঙে মূল্যবান মালামাল লুট করে পালিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের শিয়ালকাঠী গ্রামের বান্দাঘাটা এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জেসমিন বেগম ওই এলাকার বাসিন্দা এবং সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা প্রয়াত কেরামত আলীর স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির বাগানে সুপারি পাড়তে আসেন শ্রমিক মাহাফুজ। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকি করেও জেসমিন বেগমের কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি ঘরের ভেতরে খোঁজ নিতে যান। এ সময় বাড়ির দরজা ভেতর থেকে আটকানো ছিল না। ঘরে ঢুকে খাটের ওপর জেসমিন বেগমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। মরদেহটি উলঙ্গ অবস্থায় ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
এ সময় ঘরের বিভিন্ন মালামাল তছনছ এবং আলমারি ও বাক্স ভাঙা অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। পরে বিষয়টি বাড়ির পাশের লোকজন ও আত্মীয়-স্বজনকে জানানো হলে তারা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে কাউখালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এবং নেছারাবাদ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণয় রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।