সিইসির পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ, আটক ৭ শতাধিক

দে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৭
সিইসির পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ, আটক ৭ শতাধিক



ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভের চেষ্টা ঘিরে ৭০০ জনের বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে আম আদমি পার্টির (এএপি) কয়েকজন নেতা এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্য রয়েছেন।


দিল্লি পুলিশের কর্মকর্তাদের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া জমায়েত ঠেকাতে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস), ২০২৩-এর ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। নিরাপত্তা জোরদারে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড বসানো হয়।


এই ধারার আওতায় পূর্বানুমতি ছাড়া পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত, মিছিল, বিক্ষোভ, পিকেটিং ও অবস্থান কর্মসূচিতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্লোগান দেওয়া ও জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।


ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং বহু ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ তুলে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিক্ষোভকারীরা। কর্মসূচিতে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ), স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই) ও ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়াসহ (এনএসইউআই) বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেন।


পুলিশের ভাষ্য, কর্মসূচিটির জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি। সকাল থেকে বিক্ষোভকারীরা যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিভিন্ন স্থানে তাদের বাধা দেওয়া হয়। সকাল ১১টার দিকে প্রায় ৭০০ এসএফআই সদস্যকে অশোকা রোডের একটি গোলচত্বরে আটকে দেওয়া হয়। পরে তাদের অনেককে পুলিশ আটক করে।


এ ছাড়া নর্থ অ্যাভিনিউ এলাকায় এএপির রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় সিংকে বিক্ষোভস্থলের দিকে যেতে বাধা দেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে এএপি নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ, সঞ্জীব ঝা ও আতিশিও রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।


ফিরোজ শাহ রোডে কয়েকজন বিক্ষোভকারী ব্যারিকেড অতিক্রম করে যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের থামিয়ে দেয়। পুলিশ সদস্যরা মাইকিং করে ওই এলাকায় সমাবেশের অনুমতি নেই জানিয়ে লোকজনকে যন্তর মন্তরের দিকে না যাওয়ার আহ্বান জানান।


বিক্ষোভ ঘিরে যন্তর মন্তরসহ মধ্য দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। পাশাপাশি দিল্লি মেট্রোর মধ্য দিল্লির কয়েকটি স্টেশনে সাময়িকভাবে যাত্রীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা বন্ধ রাখা হয়।

সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য