রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমোদন

দে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৮
রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমোদন


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ এগিয়েছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি।


বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রথম ইউনিটে ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ কার্যক্রম শুরুর এ অনুমোদন দেওয়া হয়।


বায়রার চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর আগে আরও দুটি অনুমোদন নিতে হবে।


পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের রিঅ্যাক্টরে প্রথমবারের মতো নিয়ন্ত্রিত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হওয়ার পর্যায়কে ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ বলা হয়। এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।


প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথম ইউনিটের স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ব্যবস্থার সেফটি ভালভে (পিওআরভি/পিওএসভি) কারিগরি জটিলতা দেখা দেওয়ায় এত দিন এ অনুমোদন আটকে ছিল।


সম্প্রতি রাশিয়া থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল বিভিন্ন পরীক্ষা ও কারিগরি পদক্ষেপের মাধ্যমে সমস্যাটির সমাধান করে। এরপর একাধিক পরীক্ষায় সেফটি ভালভের কার্যকারিতা সন্তোষজনক প্রমাণিত হওয়ায় ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অনুমোদনের পর রিঅ্যাক্টরে ধাপে ধাপে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু করা হবে। এর মাধ্যমে রিঅ্যাক্টর স্থির অবস্থা থেকে সক্রিয় পরিচালন পর্যায়ে প্রবেশ করবে।


ফিজিক্যাল স্টার্টআপ পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরকে নির্ধারিত পূর্ণ তাপীয় ক্ষমতার ১ শতাংশেরও কম শক্তিস্তরে পরিচালনা করা হবে। এ সময় প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হবে।


এ পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামিতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা হবে।


প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটিসহ পুরো ফিজিক্যাল স্টার্টআপ প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে।


সব পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হলে পরবর্তী ধাপে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে। তবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত করার আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার বাকি অনুমোদনগুলো নিতে হবে।

সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য