কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৪
কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান


কৃষিকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক ও জলবায়ু সহিষ্ণু খাতে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে বাঁচলে কৃষক, বাঁচবে দেশ।” একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে কৃষিকে টিকিয়ে রাখতে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।

৫ থেকে ৭ নভেম্বর রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৬’। এ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। পল্লি উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বগুড়া ও লিমরা ট্রেড ফেয়ারস অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেড যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করেছে।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, সনাতন কৃষিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে কৃষিতে নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে আকৃষ্ট করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি কৃষি। খাদ্যনিরাপত্তা, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও টেকসই উন্নয়নে কৃষি এবং কৃষকের অবদান অপরিসীম। কৃষিকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক ও জলবায়ু সহিষ্ণু খাতে রূপান্তর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকের কাছে আধুনিক প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া, উৎপাদন ব্যয় কমানো, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প ও উদ্যোক্তা বিকাশে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃষি গবেষক, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা ও কৃষকদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশে এ মেলা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আধুনিক কৃষিযন্ত্র, উন্নত বীজ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, শস্য সংরক্ষণ, দুগ্ধ ও পোলট্রি উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি প্রদর্শন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে মেলাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্রে রয়েছে জনগণ। নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার অনুযায়ী কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষি উপকরণ সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষিবিমা এবং কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ও বিপণন সুবিধা সম্প্রসারণে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি, কারিগরি দক্ষতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে কৃষক তাঁর শ্রমের ন্যায্য প্রতিদান পাবেন, উৎপাদন হবে অধিকতর লাভজনক এবং গ্রামীণ অর্থনীতি হবে সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর। কৃষক ও কৃষির সমৃদ্ধির মধ্য দিয়েই সরকার স্বনির্ভর, উৎপাদনশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়।

সবশেষে ‘১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৬’-এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য