জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আটক, ককটেল ও পোস্টার নিয়ে আসার অভিযোগ

দে
মো সিয়াম আবু
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩০
জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আটক, ককটেল ও পোস্টার নিয়ে আসার অভিযোগ

‎

‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় গেট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখার বর্তমান কমিটির সহ-সম্পাদক মো. সুমন খান মিরাজকে আটক করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 

‎

‎শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

‎

‎প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই সময় দ্বিতীয় গেট এলাকায় জবি ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী অবস্থান করছিলেন। এ সময় ওই যুবককে মুঠোফোনে অন্য একজনের সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের দাবি, তিনি ককটেল ও ব্যানার-পোস্টার নিয়ে আসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যানার লাগানোর বিষয়ে কথা বলছিলেন।

‎

‎বিষয়টি শুনতে পেয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তিনি সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার মুঠোফোন পরীক্ষা করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিলের ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন আটকের সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীরা। তবে তার কাছে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি বলে তারা জানান।

‎

‎আটকের পর তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের কক্ষে রাখা হয়। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের করা হয়।

‎

‎ঘটনাস্থলে উপস্থিত জবি ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমরা ক্যাম্পাসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। তখন দেখলাম, একজন ছেলে ফোনে কাউকে বলছে—আশপাশে কেউ নেই, ককটেল ও পোস্টার নিয়ে আসতে। এটা শুনে আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে সে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাকে আটক করে তার ফোনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিলের ভিডিও পাওয়া যায়। আমরা তারপর কোতোয়ালি থানা পুলিশকে ফোন দিয়ে তাদের কাছে হস্তান্তর করি”


এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজম খান বলেন, “রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। পরে ফোন পেয়ে ঘুম থেকে উঠে জানতে পারি, নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠনের একজন কর্মী ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যানার-সংক্রান্ত কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হয়েছেন। এরপর আমি পুলিশকে ফোন দিই। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। আগামীকাল বিস্তারিতভাবে বলতে পারব।”

‎

‎এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানা ওসি কে এম রবিউল ইসলামকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

‎

‎আটক যুবক মো. সুমন খান মিরাজ কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সহ-সম্পাদক এবং তার স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালীর বদরপুরে,তবে তার পরিচয় ও সাংগঠনিক পদ সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য