কুবিতে তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নবীনবরণ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠিত

দে
মোহাম্মদ ইব্রাহিম
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:৩২
কুবিতে তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নবীনবরণ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখার উদ্যোগে ‘দায়িত্ব হস্তান্তর, নবীনবরণ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আহমেদ মাওলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম। এ ছাড়া বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল মামুন হোসেন, সাবেক সম্পাদকীয় পর্ষদ সদস্য নাদিয়া আফরোজ এবং কুবি শাখার সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ রাজীবসহ সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে সংগঠনের নতুন সদস্যদের বরণ, নবগঠিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর এবং সদস্যদের লেখালেখি ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। 


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম বলেন, ‘তরুণ কলাম লেখক ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি ও চিন্তাশীল চর্চার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। সংগঠনের পরিসর বৃদ্ধি, সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার এবং প্রকাশিত লেখাগুলোকে আরও বেশি প্রচারের আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।’


তিনি আরও বলেন, ‘এটি ভবিষ্যৎ লেখক ও সাংবাদিক হওয়ার একটি চর্চার জায়গা। যারা লিখছে, তাদের লেখাগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে, যাতে নবীনরা অনুপ্রাণিত হয়। নিয়মিত আলোচনা ও নির্দিষ্ট বিষয়ে লেখার চর্চা বাড়াতে পারলে এখান থেকে আরও মানসম্পন্ন ও গঠনমূলক লেখা প্রকাশ পাবে।’


প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আহমেদ মাওলা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে। এক ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান উৎপাদন করে, অর্থাৎ গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চাকে এগিয়ে নেয়। অন্য ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় কেবল বিদ্যমান জ্ঞান বিতরণ করে। আমাদের দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় এখনো জ্ঞান বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে গবেষণা ও জ্ঞান উৎপাদনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।’


সংগঠনের সভাপতি ইয়াসিন ইবনে ফিরোজ বলেন, ‘দায়িত্ব হস্তান্তর কেবল একটি সাংগঠনিক আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি চিন্তা, মূল্যবোধ ও দায়বদ্ধতার উত্তরাধিকার নতুন প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লেখনীর এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’


তিনি বলেন, ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ এই আহ্বানকে ধারণ করেই সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই আয়োজন তরুণদের সৃজনশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে নতুন অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং ভবিষ্যতের দক্ষ লেখক ও সচেতন নাগরিক তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।'

সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য