প্রতারণার দুই মামলায় ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

দে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:২৬
প্রতারণার দুই মামলায় ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা


প্রতারণা, জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা দুটি মামলায় ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার একটি আদালত।


বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।


পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য চারজন হলেন ফুডপান্ডার কো-ফাউন্ডার ও ডিরেক্টর জুবায়ের সিদ্দিকী, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক, ডিরেক্টর ডেলিভারি মো. তাবারেজ খান এবং সিনিয়র ম্যানেজার ও ডিরেক্টর মোহাম্মদ সাজেদুল হক। মামলার নথিতে তাবারেজ খানকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


বাদীপক্ষের আইনজীবী কাজী মফিজুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে মামলা দুটি তদন্ত করে গুলশান থানা পুলিশ প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। ওই প্রতিবেদন গ্রহণের পর আদালত পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।


মামলার নথি অনুযায়ী, ‘প্রোটিন অ্যান্ড পেরিশেবল’ (পিএনপি) নামের একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির বাদী হয়ে গত বছরের ৩ জুলাই আদালতে মামলা দুটি করেন। এতে আসামিদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।


আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে গুলশান থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে একটি মামলায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মশিউর রহমান এবং অন্য মামলায় একই থানার এসআই মো. সাখাওয়াত হোসেন প্রতিবেদন দাখিল করেন।


মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ২৩ জুন ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পান্ডামার্টের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে দেশীয় ও আমদানি করা সবজি ও ফলমূল সরবরাহ শুরু করেন বাদী। শুরুতে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করা হলেও পরবর্তী সময়ে অর্থ পরিশোধে অনিয়ম শুরু হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।


বাদীর দাবি, এক লাখ টাকার ক্রয়াদেশের বিপরীতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যাংকে মাত্র ১ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত জমা দেওয়া হতো। পাশাপাশি ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার এবং একই দিনে বিভিন্ন স্থানে ‘রিটার্ন টু ভেন্ডর’ (আরটিভি) স্লিপ তৈরির মাধ্যমে পণ্য ফেরত দেখিয়ে অর্থ আটকে রাখার অভিযোগও করা হয়েছে।


মামলা দুটিতে আসামিদের বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন বাদী।


তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অভিযোগগুলো এখনো আদালতে বিচারাধীন।


সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য