আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ৩নং পাইকুরাটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিএনপির নেতা মাহাবুব মোর্শেদ খোকন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, দলীয় সাংগঠনিক ভূমিকা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় থাকার কারণে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।
মাহাবুব মোর্শেদ খোকন ধর্মপাশা উপজেলার ৩নং পাইকুরাটি ইউনিয়নের চকিয়াচাপুর গ্রামের মরহুম মুখলেসুর রহমান তালুকদারের সন্তান। তাঁর পিতাও একসময় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি ১৯৮৬ সালে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে সক্রিয় হন। এরপর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯১ সালে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সদস্য, ১৯৯৬ সালে নেত্রকোনা জেলা যুবদলের সদস্য, ২০০৯–২০১৪ সালে পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, ২০১৫ সালে ধর্মপাশা উপজেলা জাতীয়তাবাদী বাস্তহারা দলের সভাপতি, ২০১৬–২০২৫ সাল পর্যন্ত পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, ২০১৬ সালে ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বর্তমানে পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মাহাবুব মোর্শেদ খোকন বলেন, আমি ১৯৮৬ সাল থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে বিএনপির আদর্শে রাজনীতি করে আসছি। ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করি। সে সময় নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপের মুখোমুখি হতে হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে আমাকে বিভিন্ন নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচন থেকে বিরত থাকি। অতীত সরকারের সময়ে দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছি এবং দুটি রাজনৈতিক মামলার আসামি ছিলাম।
আগামী দিনের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের নেতা কামরুজ্জামান কামরুলের নেতৃত্বে ৩নং পাইকুরাটি ইউনিয়নকে মাদক, জুয়া, চোরাকারবারি ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে চাই। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ও আবাসন ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চাই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তৃণমূল বিএনপির নেতা-কর্মীসহ ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।