মহাখালীতে কিশোরীর আত্মহত্যা ঘিরে রহস্য

দে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩৯
মহাখালীতে কিশোরীর আত্মহত্যা ঘিরে রহস্য

মাদক সেবন করিয়ে বাড়িতেই দিনের পর দিন ধর্ষণের অভিযোগ



রাজধানীর মহাখালীতে গত ১৫ জুলাই ১৩ বছর বয়সী কিশোরী সিমির আত্মহত্যার ঘটনায় সামনে আসছে একের পর এক প্রশ্ন। পরিবারের অভিযোগ, জোরপূর্বক মাদক সেবন করিয়ে তাকে ধর্ষণ এবং সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে। সিমিদের বাসায় সাবলেট থাকা সাইদুর-টুম্পা দম্পতির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছে পরিবার।


পরিবারের দাবি, মৃত্যুর আগে সিমি, তার মা ও এক স্বজন বনানী থানায় গিয়ে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তবে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ তাদের। যদিও বনানী থানা পুলিশের দাবি, সিমির মৃত্যুর আগে এমন কোনো অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি।


মহাখালীর একটি ভবনের ষষ্ঠ তলায় মায়ের সঙ্গে থাকত সিমি। গত এপ্রিল মাসে বাড়ির ম্যানেজারের মাধ্যমে দুই সন্তানসহ ওই বাসায় সাবলেট হিসেবে ওঠেন সাইদুর ও টুম্পা দম্পতি। এরপর থেকেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে বলে জানান সিমির মা।


তিনি বলেন, বাসা সাবলেট দেওয়ার পর দম্পতির নানা অনিয়মের বিষয় জানতে পারেন। তারা বাসা ছেড়ে দেওয়ার পর ঘর থেকে টাকা খোয়া যেতে শুরু করে। পরে স্বজনদের চাপের মুখে সিমি জানায়, তাকে হুমকি দিয়ে শারীরিক নির্যাতন করা হতো।


সিমির মায়ের দাবি, মেয়েকে নিয়ে বনানী থানায় যাওয়ার পর সে পুলিশকে সবকিছু খুলে বলে এবং নির্যাতনের কথাও জানায়। পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি বিস্তারিত শোনেন। পরে অভিযুক্তদের ছবি দেখানো হলে পরদিন থানায় আসতে বলা হয়। তবে পরদিন ফোন করে জানতে চাইলে পুলিশ তাদের থানায় যেতে নিষেধ করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


অভিযোগের বিষয়ে জানতে বনানী থানায় যোগাযোগ করা হলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে মুঠোফোনে তারা জানান, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


তবে সিমির মৃত্যুর আগে থানায় উপস্থিতি এবং মৌখিক অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেছে পুলিশ।


বাসা ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে সাইদুর ও টুম্পার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরিবারের অভিযোগ, জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য কোনো তথ্য যাচাই না করেই সাইদুরকে সাবলেট হিসেবে বাসা ভাড়া দিয়েছিলেন বাড়ির ম্যানেজার।


এদিকে, সিমির আত্মহত্যার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবেদন পাওয়ার পরই পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য