দেশের বাজারে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া সরকারের সামনে বিকল্প ছিল না বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে রবিবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। সংকট প্রতিদিন নতুন মাত্রা নিচ্ছে। এর সঙ্গে বিমার প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়াও বেড়ে যাওয়ায় জ্বালানি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা ছাড়া সরকারের সামনে অন্য কোনো কার্যকর বিকল্প ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।
দাম বাড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে মূল্যবৃদ্ধির কারণে মানুষের যে কষ্ট হবে, সেটি তিনি উপলব্ধি করেন।
সরকার বাধ্য না হলে এমন অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে চাইত না বলেও মন্তব্য করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তবে বর্তমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের দাম আবার সমন্বয় করে আগের পর্যায়ে কিংবা সম্ভব হলে তার চেয়েও কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে বলে জানান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।