ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আট অনুষদের অধীনে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ৩৬ শিক্ষার্থী। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের কৃতী শিক্ষার্থীদের মেডেল ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন—থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদভুক্ত আল হাদিস বিভাগের আলী আহসান মুহাম্মদ জুবাইর, মোহাম্মদ আল ফায়েদ, দেলোয়ার হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও নাইমুর রহমান, আল কুরআন বিভাগের আব্দুল্লাহ ইহসান ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং দাওয়াহ বিভাগের নাজমুল ইসলাম ও নোমান আল হাদী। ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রত্যয় সানা, সিরাজুল ইসলাম ও অনিন্দ্য সাহা, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সুমী খাতুন ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মেহেদী হাসান শিকদার।
এছাড়া প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ফলিত রসায়ন বিভাগের মহুয়া রহমান, জান্নাতুন নায়িম ও নাফিজ রহমান সায়েম, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আহাসান হাবিব এবং আইসিটি বিভাগের মাহফুজুর রহমান।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত লোক প্রশাসন বিভাগের মুনতাকিম রহমান, অর্থনীতি বিভাগের টগর আলী ও জেসিয়া খাতুন এবং ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সিরাজাম মনিরা।
জীববিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ফার্মেসি বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মামুন ও আব্দুল বাশার এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের মেহেদী হাসান। বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত পরিসংখ্যান বিভাগের মেহেদী হাসান লিমন ও মাহামুদুল ইসলাম এবং গণিত বিভাগের আরিফুল ইসলাম, কলা অনুষদভুক্ত আরবি বিভাগের তানজিলা খাতুন, হাফিজুল ইসলাম ও জেবা রহমান। আইন অনুষদভুক্ত ল অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সাদিয়া, রাফিয়া খাতুন ও আমজাদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নয় অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি ও কৃতী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, এটি নিঃসন্দেহে তোমাদের জন্য উল্লেখযোগ্য দিন। তোমাদের যোগ্যতা, মেধা ও পরিশ্রমের ফল হিসেবে এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া হলো। তোমাদের ওপর নতুন একটি দায়িত্ব অর্পিত হলো। কর্মক্ষেত্রে দেশ ও মানুষের জন্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দিতে অ্যাম্বাসাডর হিসেবে তোমরা ভূমিকা রাখবে। বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এই অ্যাওয়ার্ড সহযোগিতা করবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যে দেশ ও বিদেশে সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছেন। বিদেশেও একই সুনাম ধরে রাখবে।