আমরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলকে নির্বাচিত করতে চাই : চিফ হুইপ

দে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৭
আমরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলকে নির্বাচিত করতে চাই : চিফ হুইপ


জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এবং দলীয় জোটের পক্ষ থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করা হয়েছে। আগামী ২০ আগস্ট তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করতে চান তারা।


বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।


চিফ হুইপ বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান এবং সমর্থক ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।


তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন। সংসদ সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবেন।


নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ১১ দলীয় জোট থেকে কর্নেল অলি আহমদও রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেয়েছেন। তার পক্ষ থেকেও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী ২০ আগস্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।


জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, জুলাই সনদের অক্ষর, দাঁড়ি, কমা ও বিন্দু বাস্তবায়ন করা হবে।


তিনি বলেন, নতুন করে সংবিধান লেখা হবে না। সংবিধানের কোনো একটি কমা পরিবর্তন করলেও সেটি সংবিধান সংশোধন বা সংস্কারের অংশ হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দীর্ঘমেয়াদি একটি সংবিধান তৈরি করতে সব পক্ষের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বিএনপির মহাসচিব পদে কে আসবেন—এ প্রশ্নের উত্তরে চিফ হুইপ বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।


তিনি বলেন, ‘আমাদের আর কোনো সিদ্ধান্ত এই মুহূর্তে বলার নেই। নির্বাচনের যে নিয়ম আছে, সেই নিয়ম মতোই আমরা দিচ্ছি। তারা (বিরোধী দল) কী বলছে, তাদের উত্তর নিয়ে তারা থাকুক। তাদের কথার সমালোচনা করতে চাই না।’


সংবিধান সংস্কার ও সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংস্কার’ ও ‘সংশোধন’ শব্দ দুটির বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে। ভারতের সংবিধান ১৯৫০ সালে গ্রহণের পর ২০২৬ সাল পর্যন্ত ১০৬ বার সংশোধন করা হয়েছে। তারা নতুন করে সংবিধান লেখেনি। বাংলাদেশও নতুন করে সংবিধান লিখবে না।


তিনি আরও বলেন, সংবিধানের একটি কমা পরিবর্তন করলেও সেটি হবে সংবিধান সংশোধন। প্রতিটি শব্দ পরিবর্তন করলেও তা সংশোধনের আওতায় পড়বে।


চিফ হুইপ বলেন, সংশোধনের জন্য সবাইকে আহ্বান করা হয়েছে। সবাই বসে আলোচনা করে এবং সবার মতামত নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি কার্যকর সংবিধান সংশোধন করতে চান তারা। সংবিধান এক দিনের জন্য পরিবর্তন করা হয় না, এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য একটি রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তাই সবার মতামত নিয়েই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে।


সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য