মোঃআজিজুর রহমান,হাতিয়া

নোয়াখালী জেলার একমাত্র দ্বীপ হাতিয়া উপজেলা। দ্বীপ হাতিয়া থেকে অন্য কোথায় যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম নৌযান। এই নৌ পথে যাতায়াতের জন্য ব্যবহার হয় ট্রলার, সী ট্রাক,এবং স্পীড বোট।দীর্ঘ দিন করোনা মহামারীর ফলে এবং সী ট্রাক ডক ইয়ার্ডে কাজ করার কারণে বন্ধ ছিলো প্রায় তিন মাস পনের দিন। কিন্তু থেমে থাকেনি যাত্রিদের যাতায়াত। বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে প্রয়োজনর তাগিদে পাড়ি দিতে হয়েছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মব্যস্থ মানুষগুলোকে। দীর্ঘ প্রতিক্ষায় লক ডাউন ছাড়ার পর আজ থেকে শুরু হলো সী ট্রাক। এতে মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে। কিন্তু সত্য হলো দুঃখ জনক সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে যাত্রী উঠানোর কারণে ভোগান্তিতে অন্য যাত্রীরা। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন ঘাটের দায়িত্ব প্রাপ্ত লোক জন অধিক পরিমাণে ভাড়া আদায় করার জন্য সী ট্রাকে সীমিত লোক নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। কিন্ত ট্রলারে করে যাত্রী দেওয়ার সময় আর সামাজিক দুরত্ব থাকে না।অধিক ভাড়া আদায় করার জন্য সামাজিক দুরত্বকে বিলিন করে দেয়া। অথবা স্পীড বোটে জন প্রতি গুনতে হয় ৪০০-৫০০টাকা। কিন্তু সী ট্রাকের মাস্টার মোঃ আফজাল এর সাথে আলাপ করে জানতে পারলাম। তারা সরকারি নির্দেশনা মেনে নির্দিষ্ট পরিমান যাত্রী নিয়ে সী ট্রাক ছেড়েছেন। এতে তাদের কোন ঘাটতি নেয় বলে তিনি জানান। এদিকে যাত্রীদের দীর্ঘ দিনের একটা দাবি দ্বীপ হাতিয়ায় একটি ফেরী দিলে এই যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য ভোগান্তি পোহাতে হতো না।তাই সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকতার সু দৃষ্টি কামনা করছি।


দেশেরকথা/প্রতিনিধি