বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার আয়োজনে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক

ARIFkhan 0

তাজ চৌধুরী, দিনাজপুর

বঙ্গবন্ধু একটি নাম-একটি ইতিহাস। তিনি জন্ম না হলে আমরা এদেশ স্বাধীন পেতাম কিনা সন্দেহ থেকে যায়। তার জন্ম না হলে আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারতাম না। তিনি আমাদের মহান নেতা, তিনি আমাদের জাতির পিতা। এটিকে যারা অস্বীকার করবে, আমি বলবো-তাদের আসলে দেশে থাকারই দরকার নাই। পিতাকে অস্বীকার করে যেমন নিজের পরিবারে থাকা যায় না, তেমনি জাতির পিতাকে অস্বীকার করে দেশেও থাকা যায় না। তাঁর জন্মশতবার্ষিকীতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে গাছ লাগানোর কর্মসূচী দিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসার দাবীদার।

কেননা, একটি গাছ ধীরে ধীরে বিশাল বৃÿ হিসেবে রূপ নেয়। এটির সুফল আমরা নাও পেতে পারি। কিন্তু পরবর্তীতে কেউ না কেউ এর সুফল পাবে। তাইতো আমাদের ধর্মীয় দৃষ্টিতেও গাছ লাগনোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে উলেøখ করা হয়েছে। আজ বঙ্গবন্ধু নেই, আমরা তার উত্তরসূরী হিসেবে যে গাছ লাগাবো, তার ফল কেউ তো পাবেই। আর আমরা এবং বঙ্গবন্ধুও এর জন্য মহান আলøাহ পাকের কাছ থেকে অনেক সওয়াব লাভ করবো। তাই আমাদেরকে এ সময় বেশী বেশী গাছ লাগিয়ে এ দেশকে সবুজ সবুজে ভরে তুলতে হবে। তবেই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীসহ আমাদের সম

কর্মসূচী স্বার্থক ও সফল হবে।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী মুজিব বর্ষ উপলে ১৮ জুলাই শনিবার সদর উপজেলার কাশিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা দিনাজপুর জেলা শাখার আয়োজনে শিশু-কিশোরদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

কাশিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হাকিমের সভাপতিত্বে ও বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলার সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রদীপ ঘোষের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার। আরো বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলতাফুজ্জামান মিতা, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র মনিরুজ্জামান জুয়েল, জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক তৈয়ব উদ্দীন চৌধুরী, জেলা শিশু কিশোর মেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহজাহান নভেল, সহ-সভাপতি অধ্যাপক আবদুস সবুর ও সহকারী শিা অফিসার আব্দুল বারী।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, নুর আলম, জয়ন্ত ঘোষ, আবুল কালাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শেষে ১৫ আগষ্ট কালরাত্রিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ নিহত সকল শহীদ এবং করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়। মুনাজাত পরিচালনা করেন কাশিপুর স্কুলের সহকারি শিক জাহাঙ্গীর আলম। পরে স্কুল শিার্থীদের মাঝে রোপনের জন্য গাছের চারা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে স্কুল প্রাঙ্গণে বেশ কয়েকটি ফলজ ও ওষধি গাছের চারা রোপন করা হয়।

Tags: