তরমুজের ক্ষতি কাটিয়ে না উঠতেই মুগডালের ব্যাপক ক্ষতি দেখছেন কৃষকরা।

ARIFkhan 0

ইমাম হোসেন হিমেল,কলাপাড়া:

কলাপাড়া উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড খাপড়াভাঙ্গায় ৫০০একর জায়গা জুড়ে মুগডাল চাষ করে আসছেন কৃষকরা। কিন্তু কিছুতেই পোকার আক্রমণ ঠেকাতে পাড়ছেনা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা কিছুদিন আগে তরমুজে অনেক টাকা লস হয়েছে কৃষকদের, সেই লস কাটিয়ে ওঠার আগেই, মুগ ডাল নিয়ে আবার বিপাকে পরছেন কৃষকরা, ৫০০একর জায়গা জুড়ে এই মুগডাল চাষ করছেন এলাকার অনেক কৃষকরা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অর্থনৈতিকে সচল রাখতে কৃষকের প্রতি দৃষ্টি দিতে বলেন,,এই খবর কানে আসতেই কিছুটা আশার আলো দেখতে পান তারা।

চাষীরা জানান,
ধানের দর কম থাকায় এ বছর অনেক লস হয়েছে। বাকি ভোগান্তি হচ্ছে তরমুজের জন্য উৎপাদন ভালো থাকলেও করোনা ভাইরাস এর জন্য ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করতে পারিনি।এরপর এখন সব শেষ করে দিলো মুখ ডাল, এ বছর অনেক লস হয়েছে, সার ওষুধের টাকাও ঠিকমত দিতে পারিনি।

কৃষক মেনাজ বেপারী জানান, ১০একর জায়গা নিয়ে আমি মুখডাল চাষ করে আসছি প্রতিবছরই এর ফলন ভালো থাকে, কিন্তু এবছর সবদিক থেকেই লস হইতেছে আমাদের। আমরা গ্রাম্য ভাষায় এটাকে লোদাপোকা বলে থাকি, কোনো ভাবেই ঠেকানো যাচ্ছেনা এই পোকার আক্রমণ। আমি দশ দিনে আঁটবার বার স্প্রে করেছি খেতে কোন কাজই হচ্ছে না, এমন অনেক কৃষক আমার মতন হতাশাগ্রস্ত হয়ে আছে, কেউ কোন ভাবেই দমন করতে পারছিনা এই পোকা ।
১একর যায়গায় খরচ হয়েছে চার হাজার টাকার মত, এখন দুই হাজার বিক্রি করতে পারবো না পারবো কিনা সেটাই সন্দেহ আছে লাভের আশা ত নেই লস কাটিয়েই উঠতে পাড়বোনা ।

তাই আমরা এখন কৃষি অফিসারের পরামর্শ চাচ্ছি তিনি আমাদের এই অসহায় কৃষকদের জন্য কিছু করবেন বলে আমরা আশা করছি।

Tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *